জিয়ো শুরু করেছিল 6G সম্পর্কে চিন্তাভাবনা, এবং এটি সরকারের কাছে বড় দাবি সংস্থার।

Jacksons

জিয়ো শুরু করেছিল 6G সম্পর্কে

বর্তমানে, রিলায়েন্স জিও ভারতের প্রধান টেলিকম অপারেটর হিসেবে অগ্রগতি করে এছাড়াও তারা নিয়মিতভাবে তাদের 5জি পরিষেবা উন্নত করতে চেষ্টা করেন। তাদের মধ্যে এখন সম্প্রতি ৬জি নেটওয়ার্কের প্রস্তুতির চিন্তা রয়েছে। একইভাবে, সাম্প্রতিক একটি পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে রিলায়েন্স জিও “ডিজিটাল পরিবর্তনে 5জি ইকোসিস্টেম” নামক একটি সফল পরামর্শ প্রদান করেছে যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতে ৬জি উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ৬ গিগাহার্টজ স্পেকট্রামের প্রয়োজন রয়েছে। এটি নিশ্চিত করতে যে, ভারতে ব্যাপক ভাবে ৫জি কভারেজ প্রদানের জন্য এই স্পেকট্রাম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এই উন্নতির সাথে রিলায়েন্স জিও ভারতের টেলিকম প্রশাসনে একটি নতুন দায়িত্ব নিয়েছে এবং এটি অত্যন্ত সাফল্যের সাথে তার লক্ষ্য অর্জন করতে চেষ্টা করছে। এই প্রস্তুতির মাধ্যমে তারা দেশের প্রযুক্তিগত উন্নতির পথে অগ্রগতির সাথে সম্মিলিত হতে চেষ্টা করছেন। এই উন্নতির মাধ্যমে সমাজে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি উন্নত করা হবে এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বিভিন্ন অধিকারী ক্ষেত্রে।

জিও তাদের দাবি করেছে যে, সরকারের ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের লাইসেন্স না দিয়ে ওয়াই-ফাই পরিষেবার জন্য তা প্রয়োজনীয় নয়। তবে, প্রযুক্তি সংস্থাগুলি ওয়াই-ফাই পরিষেবা প্রদানের জন্য ৬ গিগাহার্টজ স্পেকট্রামের লাইসেন্স প্রদানে সম্মতি প্রদান করেছেন। এটি জানিয়েছে, এটি দেশের সার্বজনীন ওয়াই-ফাই পরিষেবা প্রদানে এটি ব্যবহার করতে পারে।

অতএব, এই সময়ে উপলব্ধ মিড-ব্যান্ডগুলি ৫জি কভারেজের জন্য পর্যাপ্ত নয়। এই অবস্থায়, ৬ গিগাহার্টজ স্পেকট্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে যেটি নতুন প্রযুক্তিগত পরিবর্তনে সাহায্য করতে পারে এবং উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম।

জিও উল্লিখিত কিছু সংস্থার স্পেকট্রামে লাইসেন্স না নেওয়ার চেষ্টা দেখেছে, যারা স্পেকট্রামে অ্যাক্সেস পেতে চান তা বিনা লাইসেন্সের দিকে তাকিয়ে থাকে। তাদের এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে স্পেকট্রামের বাজার মূল্য না দেওয়ার লক্ষ্য থাকে। তাই এই পার্টিগুলির জন্য স্পেকট্রাম বরাদ্দ করার সময় লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত বলে জিও মন্তব্য করেছে।

এই সমস্যায় অন্যান্য সংস্থাও প্রভাবিত হয়েছে, যেসব স্পেকট্রাম ভারতে এখনও ব্যবহার না পেয়েছে। সেই স্পেকট্রামের উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমে স্পেকট্রাম ব্যবহার করা এবং তারপরে লাইসেন্স সংক্রান্ত আলোচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে জিওর মতে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

৬জি আমাদের জীবনে অবশ্যই বৃদ্ধি আনবে, কারণ এটি অত্যন্ত গতিশীল ডেটা সংযোগ ও অতি উচ্চ ডেটা দক্ষতা সহ সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা সরবরাহ করবে। এটি মোবাইল ইন্টারনেট, স্মার্ট হোম, উচ্চান্ত পরিবহন ও সাইবার পৃথিবীর উন্নতি প্রযুক্তিতে আগ্রহী উদ্যোগকে সমর্থন করবে।

৬জি আমাদের মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যা সমাধান করতে পারে, যেমন স্পিড এবং কভারেজের বৃদ্ধি, প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার ও ব্যাটারি লাইফের সমস্যা সমাধান করতে পারে।

৬জি এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা নিরাপত্তা, পারফরমেন্স, প্রতিস্থাপনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ও অধিকার মোতাবেক জন্য সমস্যা হতে পারে।

এই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও সাইবার নিরাপত্তা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যার কনফিগারেশন, সাইবার সুরক্ষা প্রশাসন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

উপসংহার

সংক্ষেপঃ জিও এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি এখন ইতিমধ্যে 6G প্রযুক্তি উন্নত করার উদ্দেশ্যে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। এই পরিশ্রমের ফলে সরকারের প্রতি তাদের দাবি ও প্রযুক্তিগত যোগ্যতা প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছে। এই মাধ্যমে, সরকার বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উন্নতির দিকে উদ্বুদ্ধ হতে পারে, যা আগামীতে দেশের টেকনোলজিক্যাল উন্নতি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সৃষ্টি করতে সাহায্য করতে পারে।

Leave a Comment