Electric Car: ৫০% মানুষ ইচ্ছুক বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহার করতে, হারানো গাড়ির প্রতি মহাদ্যুতিকে প্রতিষ্ঠিত আপেক্ষিক।

Jacksons

Electric Car

পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির ব্যবহার করতে নিয়মিত যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব সমস্যার মধ্যে একটি ভাঁজ ধরে নেওয়া হয়েছে ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার করে। ডেলয়েটের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি গাড়ি বিবেক সম্পর্কে উন্নতি প্রত্যাশা এবং ইলেকট্রিক ভাহিকেল ব্যবহার করার ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব গাড়ির ব্যবহারের প্রচুর পরিমানের বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে যা পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির ব্যবহারের মতো একে একে পরিবেশবান্ধব উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নতুন প্রচলিত ট্রেন্ড মাধ্যমে পরিবেশ সন্তুষ্টি ও জীবনযাপনের একটি উন্নত প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সহায়ক হতে পারে।

ডেলোইটের পর্যালোচনা কী উল্লেখ করছে?

২০২৩ সালের অক্টোবরের ৫ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত, “২০২৪ গ্লোবাল অটোমোটিভ কনজিউমার স্টাডি” নামে প্রকাশিত হয়েছে একটি রিপোর্ট, যেখানে মোট ১,০০০ ভারতীয় উপর এই সমীক্ষা পারিশীলন করা হয়েছে। এই সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের নাগরিকদের ইলেকট্রিক গাড়ির প্রতিনিধিত্ব এবং এর ব্যবহারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা।

ভারতীয় বাজারে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির ক্রয়ের হিড়িকের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তোলা হয়েছে। বিশ্ব অটোমোবাইল বাজারে ভারতের অবস্থান উন্নতি পেয়েছে এবং এই বিকাশের সাথে সাথে ইলেকট্রিক গাড়ির দাম ও ব্যবহারের সঙ্গে বিদ্যুতের উপলব্ধতা এবং সুযোগগুলির ক্রয়ের নীতি নিয়ে মানচিত্র করা হয়েছে।

এই সমীক্ষার ফলাফলে বুঝা গেছে যে, ভারতীয় বাজারে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহারে লোকজনের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দাম কমেছে, যা বৈদেশিক কোম্পানিগুলির জন্য একটি বৃহত্তর মার্কেট প্রায়োজনীয় করেছে।

সমীক্ষার রিপোর্টের আলোকে অনেকে দেখতে পাচ্ছেন কিছু রূপান্তরের সম্ভাবনা। এটি স্বাভাবিক যে বিষয়ের উপর মনোযোগ দেবে এবং যেটি প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য হবে তা মানুষের পক্ষে কি ভাবে একটি গাড়ি প্রযুক্তির উপর নির্ভর করবে। এমনকি, রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, বর্তমানে ৫০ শতাংশ মানুষ জ্বালানি চালিত গাড়ি ছাড়া অন্যান্য বিকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তারা প্রধানত ইন্টার্নাল কম্বাশন (ICE) গাড়ি ব্যবহার করতে ইচ্ছুক।

সমীক্ষা ফলাফলের আলোকে হাইব্রিড প্রযুক্তির গাড়ির প্রস্তাবনা আরও উৎসাহজনক হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে ইঞ্জিন এবং ব্যাটারির সমন্বয়ের কারণে অনেকে এটি একটি আগামীর সম্ভাবনা হিসাবে দেখছেন। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, হাইব্রিড প্রযুক্তির গাড়ির ক্ষেত্রে অধিকাংশ লোক উৎসাহ প্রকাশ করেছেন এবং তারা এই প্রযুক্তিকে একটি সার্থক বিকল্প হিসাবে মনে করেন।

তবে, ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে মূল্যের সমস্যার প্রকারটি দেখা যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের অধিকাংশ এই বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন, এবং রিপোর্ট অনুসারে, যে গাড়ি যে মূল্যে কিনতে ইচ্ছুক তা স্পষ্টভাবে তাদের আগ্রহ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।

সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা গেছে, পরিবেশ দূষণের বিষয়ে মানুষের চিন্তা দেখতে পাচ্ছে এবং তা উল্লেখযোগ্য। এই গবেষণায় প্রতিষ্ঠানের ৬৮% অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি পরিবেশ দূষণের বিষয়ে চিন্তিত হয়েছেন। আর জ্বালানির ঝাঁঝালো দামের বিষয়েও মানুষের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ৬৩% অংশগ্রহণকারী। এই তথ্য বিশ্বাস করা যায় একটি প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মাধ্যমে মানুষের পরিবেশ সংরক্ষণে আরও সচেতন হওয়ার দিকে।

এক অন্যত্রে, গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যে চার্জিং স্টেশন সম্পর্কে কী মন্তব্য আছে মানুষের। এখানে দেখা গেছে যে ৬৬% অংশগ্রহণকারী মানুষ তাদের নিজেদের বাড়িতেই গাড়ি চার্জ করতে চান, যা একটি উপায় পরিবেশ ও বাজারের প্রতি দায়িত্ব বজায় রাখতে। এছাড়াও, ২২% মানুষ পাবলিক চার্জিং স্টেশন ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যা ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারে বিশেষ অবদান রাখতে পারে।

আরও একটি সর্বশেষ গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে যেখানে ইলেকট্রিক গাড়ির রেঞ্জ এবং গাড়ির বিষয়ে মানুষের পছন্দ উল্লেখযোগ্য। এই গবেষণায় দেখা গেছে যে ৪০% অংশগ্রহণকারী মানুষের পছন্দ হলো গাড়ির রেঞ্জ চারশ কিলোমিটার বা তার বেশি, এবং অন্যদিকে তাদের অধিকাংশই ৫২% অংশগ্রহণকারী মানুষ বেশির ভাগ গাড়ি কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যেখানে রেঞ্জ দুর্বল। এই প্রকারে, গাড়ির প্রকার নিয়ে মানুষের চিন্তা ও পছন্দে বিশেষ চিন্তাভাবনা বেতার আগে সম্ভাবনামূলক হতে দেখা গেছে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং স্টেশন প্রায় সব জায়গায় পাওয়া যায়, যেমন গ্যাসোলিন স্টেশন বা বিশেষভাবে নির্ধারিত চার্জিং পয়েন্ট।

একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং সময় বিভিন্ন হতে পারে নির্ভরযোগ্য গাড়ির মডেল, ব্যাটারির ধরণ, এবং চার্জিং পয়েন্টের ক্ষমতা এবং দ্রুততা উপর। সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ চার্জ করা যায় প্রায় ৪ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় নেওয়ায়।

বৈদ্যুতিক গাড়ির রেঞ্জ বিভিন্ন মডেলে বিভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ চার্জ করার পরে গাড়ি প্রায় ২০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার যাত্রা করতে সক্ষম।

হ্যাঁ, বৈদ্যুতিক গাড়ির একটি সুবিধা হলো এটি শুধুমাত্র ব্যবহার করার সময় সামান্য ধারণার জন্য মার্কার্টি অনুযায়ী সহায়তা করে। অতএব, সুরক্ষার জন্য সাধারণত ব্যবহার করার আগে গাড়ির প্রয়োজনীয় অবস্থা পরীক্ষা করা উচিত।

No Content

উপসংহার

বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রচলিত ব্যবহারের মধ্যে দেখা যাচ্ছে এর আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে, যেটি প্রধানতঃ পরিবেশবান্ধব গুণগত এবং দ্রুতগতিতে উন্নতির কারণে। প্রাচীন জানাল সমীক্ষা প্রকাশ করেছে যে প্রায় ৫০% মানুষ ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার করতে পছন্দ করে এবং জ্বালানি গাড়ি থেকে পাল্লা তুলে দেয়ার ইচ্ছা রেখেছেন। এই উন্নতি গাড়ি প্রযুক্তির সাথে মিলে পরিবেশ ও মানবজীবনে এক নতুন দিক সৃষ্টি করতে পারে।

Leave a Comment