সময় কেবল ১৮ টাকা, সবার অগ্রাহ্য দ্রুত চার্জার Hyundai যোগ করছে, ২১ মিনিটেই ৮০% চার্জের সুযোগ।

Jacksons

Updated on:

Hyundai

বৈদ্যুতিক যানবাহনের যুগে রেঞ্জ নিয়ে চিন্তা কমাতে পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশনের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। তাই ব্যাটারি চালিত চার চাকা ও দু’চাকা গাড়ির বিক্রি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তেই এই কাজে ব্রতী হয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানি। যাদের মধ্যে অন্যতম হুন্ডাই মোটর (Hyundai Motor)। দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিটি এদেশে আল্ট্রা-হাই স্পিড পাবলিক ইভি চার্জিং স্টেশন বসানোর কাজ সফলতার সঙ্গে সম্পূর্ণ করেছে। তাদের প্রচুর ব্যবসা এবং বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গাড়ির ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গাড়ি চার্জ করা সহজ এবং ব্যবহারকারীর জন্য সার্বজনিক পরিবেশ সুরক্ষা উপকরণ হিসেবে অবদান রাখতে পারে।

অতএব, ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের বিস্তারিত পরিকল্পনা হতে পারে একটি অন্যত্রের গাড়ির চার্জিং ইন্ফ্রাস্ট্রাকচারের উদাহরণ। এই প্রকল্পে প্রাথমিক লক্ষ্য হলো বাণিজ্যিক এবং নাগরিক গাড়ি ব্যবহারের জন্য সুযোগ প্রদান। এছাড়াও, সমাজের জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে এই স্টেশনগুলি। এটি না শুধু পরিবেশ সুরক্ষা বৃদ্ধির সাথে তাল্লুক রাখে, বরং বায়ু দূষণ কমানো ও পরিবেশের সুরক্ষা সহায়ক হতে পারে।

হুন্ডাই অবজেক্টসের আল্ট্রা-ফাস্ট চার্জিং স্টেশন।

বর্তমানে ভারতে হুন্ডাইয়ের মোট ১১টি আল্ট্রা-ফাস্ট চার্জিং স্টেশন রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন শহরে অবস্থিত। প্রতিটি স্টেশনে রয়েছে তিনটি চার্জিং পয়েন্ট, একটি ডিসি ১৫০ কিলোওয়াট, অন্যটি ডিসি ৬০ কিলোওয়াট এবং অন্যটি ডিসি ৩০ কিলোওয়াট। হুন্ডাই এই চার্জিং পরিকাঠামোর মাধ্যমে ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ি বিপ্লবে অগ্রগতির সাথে যোগ দিচ্ছে।

এই সেবা উপলব্ধ করার জন্য হুন্ডাই নিজস্ব পাবলিক চার্জিং নেটওয়ার্ক গড়েছে ছয়টি বড় শহরে – গুরুগ্রাম, মুম্বাই, পুণে, আমেদাবাদ, হায়দ্রাবাদ এবং বেঙ্গালুরু। এছাড়া এই নেটওয়ার্ক দেশের পাঁচটি প্রধান হাইওয়েতেও উপলব্ধ, যেমন, দিল্লি-চন্ডিগড়, দিল্লি-জয়পুর, মুম্বাই-সুরাট, মুম্বাই-নাসিক, এবং হায়দ্রাবাদ-বিজয়ওয়াড়া। চার্জিং পয়েন্টগুলি সপ্তাহে সাত দিন চব্বিশ ঘন্টাই পরিষেবা মেলে, এবং এখানে হুন্ডাই বাদে অন্যান্য সংস্থার বৈদ্যুতিক গাড়িও চার্জ দেওয়া যাবে।

এই উন্নত চার্জিং ইন্ফ্রাস্ট্রাকচারের মাধ্যমে ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার উন্নতি পেয়েছে এবং এটি দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এই চার্জিং স্টেশনগুলিতে রয়েছে পর্যাপ্ত কর্মী, কফির দোকান এবং রেস্তোরাঁ যা ক্রেতাদের সন্তুষ্টি প্রদানে ব্যবহৃত হয়। এখানে প্রতিটি আল্ট্রা-ফাস্ট ডিসি চার্জার থেকেই দ্রুত চার্জিং ফেসিলিটি রয়েছে। আয়োনিক ৫ গাড়িটি ১০-৮০% চার্জ ২১ মিনিটে হয়ে যায়, এবং ১৮ টাকা দিলেই ৩০ কিলোওয়াট চার্জারের প্রতি ইউনিট বুক করা যায়। অপরপ্রকারে, ৬০ কিলোওয়াট চার্জার/ইউনিট বুক করতে প্রয়োজন ২১ টাকা, আর যেখানে ১৫০ কিলোওয়াট/ইউনিট চার্জারের জন্য লাগে ২৪ টাকা।

সংস্থার myHyundai অ্যাপ থেকে চার্জিং স্টেশনের লোকেশন ট্র্যাক করা যায় এবং সেখানে নেভিগেশন, অগ্রিম বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং চার্জিং স্টেটাস মনিটর করার সুবিধা রয়েছে। হুন্ডাই এই বছরে দেশের আরও দশটি নতুন স্থানে আল্ট্রা ফাস্ট চার্জিং স্টেশন বসানোর পরিকল্পনা করেছে। ২০২৭-এর মধ্যে এমন ১০০টি চার্জিং স্টেশন গড়ে তোলা হবে যা কার্যকর হতে পারে এবং চার্জিং ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

বিজ্ঞানীদের অনুসারে, এই বৃদ্ধির সাথে সাথে ইতিবাচক বায়োডাইভার্সিটি ও কার্বন নির্মুক্ত পরিবহনের উন্নতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এই চার্জিং স্টেশনগুলির মাধ্যমে পরিবহনের প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সাধারণ সুযোগ উন্নত করা যায় এবং এটি সাধারণ চার্জিং পদ্ধতিতে তুলনামূলক দ্রুততা ও দ্বারা তৈরি কার্বন অদলবদলে উত্তরাধিকার সৃষ্টি করতে সাহায্য করে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

হুন্ডাইর ফাস্ট চার্জার বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসাচ্ছে, যা ব্যবহারকারীদের সহজে সহজে গাড়ি চার্জ করার সুবিধা দেয়।

হুন্ডাইর ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করে গাড়ির ব্যাটারি মাত্র 21 মিনিটে প্রায় 80% চার্জ হয়ে যাবে, যা অনেক দ্রুত এবং সময় সাশ্রয়ী প্রযুক্তি।

হুন্ডাইর এই ফাস্ট চার্জার ডিরেক্ট ডি সি (DC) পাওয়ার ব্যবহার করে, যা গাড়ির ব্যাটারি খুব দ্রুত এবং কার্যকরীভাবে চার্জ করতে সাহায্য করে।

হুন্ডাইর ফাস্ট চার্জার সুবিধাটি পেতে আপনাকে একটি সঠিক স্বাধীন বা পাবলিক চার্জিং স্টেশনে যেতে হবে এবং আপনার গাড়িকে চার্জ করতে হবে। এই সুবিধা সহজ এবং ব্যবহারকারীদের গাড়ির চার্জিং অভিজ্ঞতা উন্নতি করে।

উপসংহার

এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে, হুন্ডাই সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফাস্ট চার্জার স্থাপন করেছে এবং এটি চার্জিং ইনফ্রাস্ট্রাকচারের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। খরচটি একটি মাত্র ১৮ টাকা, যা ব্যবহারকারীদের কাছে একটি সহজ এবং অর্থক্ষম বিকল্প প্রদান করে। আরো ভালো সংবেদন প্রদান করতে, এই ফাস্ট চার্জার সিস্টেমে মাত্র ২১ মিনিটেই গাড়ির ৮০% চার্জ হয়ে যায়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবহন ব্যবস্থা গতি লাভ করবে এবং পরিবেশের উপর কম জরিমানা প্রভাব ফেলবে। সাথে সাথে, এই চার্জার ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পরিবেশে মারাত্মক পরিমান কার্বন সাঁকো কমাতে সক্ষম হবেন। এই সূচনার সাথে, হুন্ডাই চার্জার স্থাপনের মাধ্যমে একটি স্বাভাবিক, পরিবেশগতভাবে স্বচ্ছ পরিবহনের দিকে ধাবন করে যা ভবিষ্যতে বেশিরভাগের প্রযুক্তিগত বাস সাঁকোতে সাহায্য করবে।

Leave a Comment