Tata Semiconductor: আইফোনের পরে, টাটা বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে নিঃসন্দেহে প্রবেশ করেছে। এই প্রকল্পে প্রায় ১.২০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

Jacksons

Tata Semiconductor

তাইওয়ানের পাওয়ারশিপ সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ক্রপের (PSMC) সাথে অংশীদারিত্ব করে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড একটি সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব স্থাপন করবে। এই ফ্যাবটি গুজরাতের ধলেরায় স্থাপন করা হবে, যেটি দেশের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে নতুন একটি আয়োজন। ভারতীয় সরকার প্রায় ১.২৬ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে গুজরাত এবং আসামে তিনটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই প্রস্তাবগুলি অনুমোদন করার পর, টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে, অনুমোদিত এই তিনটি ইউনিট নির্মাণ আগামী ১০০ দিনের মধ্যেই শুরু হবে। এই উন্নত সেমিকন্ডাক্টর ইউনিটগুলির স্থাপনের মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে এক নতুন দিক যোগ হবে এবং রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক উন্নতির মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে উন্নত হবে এমন আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাইওয়ানের পাওয়ারশিপ সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ক্রপের সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সাধারণ মানের উন্নত গুণগত উৎপাদনে ভারতের অবস্থান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রবৃদ্ধি প্রাপ্ত হতে পারে।

তাইওয়ানের পাওয়ারশিপ সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং ক্রপের (PSMC) সাথে অংশীদারিত্ব করে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড একটি সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব স্থাপন করবে। এই ফ্যাব গুজরাতের ধলেরায় স্থাপন করা হবে এবং এর জন্য আনুমানিক ৯১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রযুক্তি শিল্পে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হতে পারে এবং ক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে।

আরেকটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট আসামের মরিগাও-তে টাটা সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি এবং টেস্ট প্রাইভেট লিমিটেড দ্বারা স্থাপন করা হবে। এই প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ২৭,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এই উন্নতির মাধ্যমে আসামের প্রযুক্তি শিল্পে নতুন করে জীবন আনা হতে পারে এবং একইসাথে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নতির পথে পরিচালিত হতে সহায়ক হতে পারে।

উপস্থিত দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে টাটা গ্রুপ তাদের প্রতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানগুলির গতি বাড়াতে সক্ষম হতে পারে এবং তাদের স্থায়িত্ব ও সম্মান বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। এই ধাপগুলি প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধির সৃষ্টির দিকে একটি প্রাসঙ্গিক ধারণা উত্থাপন করে।

অশ্বিনী বৈষ্ণব তথ্য প্রকাশ করেছেন যে, জাপানের রেনেসাঁস ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন এবং থাইল্যান্ডের স্টার মাইক্রো ইলেকট্রনিক্স-এর সাথে সিজি পাওয়ারের অংশীদারিত্ব করে গুজরাতের সানন্দে আরেকটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপন করবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ৭,৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ভারতের অগ্রগতি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতীয় উদ্যোগের ক্ষেত্রে আরও একটি উন্নত ধাপ নেওয়া হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ স্বয়ংচালিত সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন শুরু করার উদ্যোগে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির দিকে একটি নতুন দিশা প্রদান করবে। এই প্রকল্প যে ভবিষ্যতে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ক্ষেত্রে একটি অগ্রগতিমূলক ভূমিকা পালন করবে তা আশা করা যাচ্ছে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

টাটা সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব গুজরাতের ধলেরায় অবস্থিত।

 

ভারতীয় সরকার প্রায় ১.২০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে টাটা ইলেকট্রনিক্সের সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাবে।

টাটা সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব একটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ইউনিট হিসেবে কাজ করবে, যা ভারতের সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে নতুন একটি আয়োজন দেবে।

টাটা ইলেকট্রনিক্সের সেমিকন্ডাক্টর ফ্যাব প্রযুক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে স্থাপনা প্রকল্পটি আশেপাশে ১০০ দিনের মধ্যেই শুরু হবে।

উপসংহার

টাটা সেমিকন্ডাক্টরের অবদান দেখা যাচ্ছে যে, ভারতের প্রযুক্তি শিল্পের প্রাসঙ্গিকতা ও উন্নতির দিকে একটি অন্যত্র গম্ভীর প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টাটা গ্রুপের বিনিয়োগ ১.২০ লক্ষ কোটি টাকা প্রমাণ করে যে, তারা সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ভারতীয় প্রযুক্তি শিল্পের সুযোগ ও সম্ভাবনার মাধ্যমে একটি নতুন দিকের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠা করতে প্রস্তুত। এটি না মাত্র বাংলাদেশের প্রযুক্তি শিল্পের উন্নতির প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা বর্ধন করবে, বরং এর মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ভারতীয় প্রযুক্তি শিল্পের মানচিত্র পুনরায় আকার দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য। এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান একটি নতুন দিকের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সক্ষম হতে পারে, যেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য দেশের অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ও সম্মান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

 

Leave a Comment