PAK vs NZ: আইপিএলের মাঝেই নিউজিল্যান্ডকে ৯০-তে অল আউট শাহীনদের

আজ নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দল পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-২০ ম্যাচে হারিয়েছে এবং সিরিজে অগ্রসর হয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তান তাদের মাটিতে খেলার পরিসর অনুযায়ী এই ম্যাচটি জিতেছে, যদিও প্রথম টি-২০ ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়েছিল। এই জয় পাকিস্তান দলের অবস্থানকে আরো সশক্ত করে দিল এবং তাদের আগামিকালের ম্যাচগুলোতে উৎসাহ বাড়িয়ে দিতে পারে।

অপরদিকে, নিউজিল্যান্ডের প্রথম সারির দলের কিছু খেলোয়ার আইপিএলে অংশ নিয়েছেন এবং এই সময়ে তাদের অধিকাংশ মনোবল তাদের অংশ নেওয়ার জন্য তৈরি নেই। এই অবস্থায়, ঘরের মাটিতে তাদের নিউজিল্যান্ড দলের ক্ষতি হয়েছে এবং পাকিস্তানের হাতে সিরিজে এগিয়ে যাওয়া সুযোগ হারিয়েছে।

টি-২০ বিশ্বকাপের আগে, পাকিস্তানের এই জয় তাদের জন্য একটি উৎসাহ এবং মনোবল বাড়িয়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। এটি তাদের জন্য একটি উত্তরাধিকারী সময়ের সূচনা হতে পারে যা তাদের জন্য বিশ্বকাপে অবস্থান অর্জনে সাহায্য করতে পারে।

আজ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড শুরুতেই অস্ত্র্যান্ত প্রস্তুতি নিতে নিতে ভালো অবস্থায় ছিল কিন্তু তাদের ব্যাটিং পাকিস্তানের বোলিং লাইনের সামনে দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা মাত্র ৯০ রানে আউট হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি রান করেছেন মার্ক চাপম্যান, যেনি আজ ১৯ রান করেন, কোল ম্যাকঞ্চি ও ১৫ রান সংগ্রহ করেছেন।

পাকিস্তানের বোলিং লাইন আজ অসামান্য দক্ষিণা দেখাচ্ছে। শাহীন শাহ আফ্রিদি অবশ্যই উল্লেখ করা উচিত, যিনি তাদের পরিচ্ছন্ন বোলিং দ্বারা তিন উইকেট নিয়েছেন। মোহাম্মদ আমির, আব্রার আহমেদ এবং সাদাব খান ও তাদের বোলিং দক্ষতা নিয়ে অসাধারণ কর্ম করেছেন, প্রত্যেকে দুটি-দুটি উইকেট জড়িত করে।

এই অবস্থা প্রমাণ করেছে যে পাকিস্তানের বোলিং দল আজ খুব সচেতন এবং দক্ষ। তাদের বোলিং দ্বারা নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে অবাক করে দেওয়া হয়েছে, এবং পাকিস্তান এই ম্যাচে প্রায় নিউজিল্যান্ডকে নিরাপদে জয় নিতে পারে।

পাকিস্তানের জন্য বিপক্ষের লক্ষ্য ছিল ৯১ রান লাভ করা, যা একটি প্রতিবাদ ছিল না তাদের জন্য। সাইম আয়ুব এসে বোলিং করে মাত্র ২ বলে ৪ রান হারিয়ে ফেলেন এবং বেন লিস্টারকে ফিরিয়ে পাঠান। এরপর পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম অভিজ্ঞতা দেখিয়ে ১৩ বলে ১৪ রান হারিয়ে পড়েন, কিউয়ি অধিনায়ক মাইকেল ব্রেসওয়েল তাকে শিকার করে নিয়ে গেলেন। এই ব্যাপারটি পাকিস্তানের জন্য একটি প্রতিবাদ হিসেবে কাজ করে।

অতিরিক্ত জোর দিতে এক ধাপ আগে, বাংলাদেশের বোলাররা দুই উইকেট নিয়ে বিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের প্রস্তুতি মোহ করে দিয়েছিলেন। বিপক্ষের সঙ্গে লড়াইতে এক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল যা বিপক্ষের জন্য জটিল করে দিয়েছিল। সাইম আয়ুব ও বাবর আজমের হারা পরে পাকিস্তানের জন্য লক্ষ্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল।

পাওয়ারপ্লে সেশনে, বিপক্ষের বোলাররা প্রতিবাদ হিসেবে মূল্যবান উইকেট দুটি জড়িত করেছিলেন। এই উইকেটগুলি পাকিস্তানের জন্য বুদ্ধিমত্তা নির্ধারণ করেছিল এবং তাদের ব্যাটিং লাইনকে অস্ত্রপ্রাণী করেছিল।

ম্যাচের শুরুতে উসমান খান এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান একত্রে ব্যাটিং শুরু করে। কিছুক্ষণ পরে, উসমান খান ৭ রান স্কোর করে ঈশ সোধির বলে আউট হন। তবে, এই উইকেট ধরে পাকিস্তানের জন্য কোনো বিপদের সঙ্গে তাল্লাশ হয়নি। ক্রিজে ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং ইরফান খান, যাদের উত্তরাধিকারী ভূমিকা প্রদান করতে হয়েছিল।

ম্যাচের সামাপ্তিতে, মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৫ রান এবং ইরফান খান ১৮ রান স্কোর করেছেন। তাদের সাফল্যের জন্যে পাকিস্তান ম্যাচটি ৭.৫ ওভার বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয়লাভ করে দলকে সম্মানিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা সিরিজে ১-০ অগ্রসর হয়েছে।

পাকিস্তান বনাম নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচের স্কোরকার্ড (Pakistan vs New Zealand Second T20I Scorecard):

নিউজিল্যান্ড: ৯০ রান (১৮.১ ওভার)

পাকিস্তান: ৯২/৩ রান (১২.১ ওভার)

পাকিস্তান ম্যাচটি সাত উইকেটে জিতেছে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

ম্যাচটি ২০ ওভারে সমাপ্ত হয়েছিল।

পাকিস্তানের অসাধারণ বোলিং এবং ফিল্ডিং এর জন্যে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ৯০ রানে অল আউট হয়েছিল।

পাকিস্তান লক্ষ্য অর্জন করার জন্য ৯১ রান লাগল।

আইপিএলের মাঝেই নিউজিল্যান্ডকে ৯০-তে অল আউট শাহীনদের, সহজেই ম্যাচ জিতল পাকিস্তান।

উপসংহার


PAK বনাম vs NZ  ম্যাচে পাকিস্তানের বোলিং দল অত্যন্ত দক্ষ প্রদর্শন করেছে। শাহীন শাহ আফ্রিদি তার অসাধারণ বোলিং দ্বারা নিউজিল্যান্ডকে মাত্র ৯০ রানে অল আউট করে দিয়েছেন। সাথেই মোহাম্মদ আমির, আব্রার আহমেদ, ও সাদাব খান ও তাদের প্রতিষ্ঠিত বোলিং দল নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনকে বাঁধা দিয়ে দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।

ব্যাটিং দল পাকিস্তান এই সহজ লক্ষ্যের জন্য ধন্যবাদ বলতে বাধ্য হয়েছে তাদের বোলিং দলের দিকে। কোল ম্যাকঞ্চি ও মার্ক চাপম্যান হয়ে ব্যাট থেকে অল আউট হয়েছেন এবং নিউজিল্যান্ডের স্কোর নয়ন প্রাসাদ পেতে পারেনি।

Leave a Comment