Mohammad Amir আসতেই পাকিস্তানি ক্রিকেটে বড় ভোলবদল, অবসর ভেঙে ফিরে এলেন দুই‌ সেরা ক্রিকেটার

Jacksons

Mohammad Amir

আইপিএল শেষ হতেই অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ 2024। আসন্ন ওই ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়ার আগেই, পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলেও গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধন। রবিবার, পাকিস্তানি ক্রিকেটপ্রেমীরা একে অপরকে দিশানির্দেশ দিলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটের সাধারণ মুখোমুখি হবে এই উদযাপনে।

রবিবার, পাকিস্তানের স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াশিমের অবসরের ঘোষণা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানে একটি সাবাস্থ্যকর পরিবর্তন। তিনি পুনরায় দলে যোগ দিতে ইচ্ছুক, এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রচেষ্টা প্রক্রিয়ার অংশ হলে এটি অনেকটা পারিশ্রমিক। একইভাবে, পাকিস্তানের জার্সিতে ফিরে আসতে চান পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির।

সাধারণভাবে এই ধারণাগুলি পাকিস্তান ক্রিকেটের উদার ক্ষোভের উপাত্ত প্রমাণিত করছে, যে প্রতিষ্ঠানটি তার প্রাচীন অধিকারগুলি পুনরুদ্ধার করছে এবং তার প্রাচীন আকারভাষাটি উল্লেখযোগ্য মাত্রার বৈশিষ্ট্য রক্ষা করছে। আশা করা যায় যে, এই নতুন প্রারম্ভিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি পাকিস্তানের ক্রিকেট দল তার নিজস্ব ভূমিকা অনুসরণ করতে অবশ্যই সচেতন থাকবে।

অবসর ভেঙ্গে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলে ফেরার প্রসঙ্গে আমির তার পোস্টে লিখেছেন, “আমি এখনো পাকিস্তানের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখি! আমাদের জীবনে মাঝে মধ্যে এমন একটা পর্যায় আসে, যখন সিদ্ধান্তগুলিকে পুনর্বিবেচনা করতে হয়। আমি মনে করি আমার জীবনেও সেই সময়টা এসেছে।” তিনি বলেন, “আমার ও পিসিবির মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে যেখানে তারা সম্মানের সঙ্গে আমাকে অনুভব করিয়েছে যে, আমার প্রয়োজন ছিল দলের এবং আমি এখনো পাকিস্তানের হয়ে খেলতে পারি।” পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি ঘোষণা করেন যে, “আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে খেলার জন্য আমি একেবারে প্রস্তুত। দেশের জন্য আমি এটা করতে চাই।”

তিনি বলেন, “কারণ এটা ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার উর্ধ্বে। সবুজ জার্সি গায়ে জড়ানো ও দেশের সেবা করা সবসময়ই আমার সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা ছিল। তা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও থাকবে।” তাঁর কথায় প্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে, তিনি প্রয়াত প্রধান প্রধান সূর্য রাজ্যের জন্য একেবারে তৈরি। এটা একটি মানুষের সামাজিক দায়িত্বের প্রতীক, যেটা তাঁকে প্রতিষ্ঠিত ও মনোনীত করে।

পাকিস্তানের ক্রিকেট দলে তাঁর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে পূর্বেই অনেকে আশা করছিলেন। এই নতুন ঘোষণা পাকিস্তানের ক্রিকেট উদ্যোগে নতুন এক চিহ্ন সৃষ্টি করেছে। এটি তার প্রেরিত সহীত এক অগ্রাধিকার যে দেশের জনগণ বিশেষ ভাবে অবদানের প্রতি প্রতীতি তৈরি করে। তাঁর প্রতিজ্ঞাবদ্ধতা ও দেশপ্রেমের জন্য তিনি মানসিকভাবে প্রশ্রয় গ্রহণ করেন, যা দেশকে আন্তরিকভাবে গর্বিত করে।

আবারও অবসর ভেঙ্গে এই দুই তারকা ক্রিকেটারকে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেখতে শুধুমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটপ্রেমীরাই উদ্ধুদ্ধ নয়, বিশ্ববাজারের অন্যান্য দেশের ক্রিকেট উপাসকদেরও এই উৎসাহ জাগাচ্ছে। এখন তাদের অপেক্ষায় আছে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠিত দুই স্টার ক্রিকেটার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ধীর গতির পিচে বাঁ-হাতি স্পিনার ইমাদ ও মোহাম্মদ আমির। ইমাদকে ফেরানো হয়েছে পিচের বৃদ্ধিমূলক পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে, যেখানে মোহাম্মদ আমিরকে চোটের কারণে ফিরে আসতে হয়েছে অন্যদিকে। এ চোটের কারণে পাকিস্তানের পেসার হ্যারিস রাউফ ক্রিকেট থেকে দূরে রয়েছেন বর্তমানে।

উপরোক্ত অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে, ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটে এই দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের পরিমাণিত দক্ষতা প্রতিষ্ঠিত টিমের জন্য অবাধ্য অবশ্যই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের উদ্ধারণে ইমাদের অবস্থান তাদের স্পিন বিন্যাসে আরও তীব্র করবে এবং তাদের পেসার বিভাগে আমিরের অংশগ্রহণ একটি সংকেত হতে পারে যে পেসারদের জন্য কার্যকর পিচ নির্মাণ হবে। এ সব অনুভব করা যেতে পারে পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট প্রকৌশল উন্নতি এবং প্রতিযোগিতামূলক স্থান সংজাগ করবে বিশ্ব ক্রিকেট মানচিত্রে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

মোহাম্মদ আমির অবসর নেওয়ার মূল কারণ ছিল তার ক্রিকেট জীবনে মানসিক চাপ এবং তা নিয়ে যে সকল সমস্যা আমারা জানি।

অবসরে, মোহাম্মদ আমির ক্রিকেট থেকে আলাদা কাজ করেন নি। তবে, তার অবসর পর প্রাথমিকভাবে সে পরিবার সাপোর্ট করার জন্য সময় কাটানো দরকার ছিল।

মোহাম্মদ আমির অবসর ভেঙ্গে ২০১৫ সালে পাকিস্তানি ক্রিকেটে ফিরে আসেন।

মোহাম্মদ আমিরের ক্রিকেট জীবনে অসংখ্য অবদান ছিল। তিনি পাকিস্তানি দলের জন্য একাধিক ম্যাচে খেলেছিলেন এবং তার দক্ষতা ও উদারতা একে অন্যের মধ্যে এক আদর্শ তৈরি করেছিল।

উপসংহার

মোহাম্মদ আমিরের ফেরাও নিশ্চিতভাবে পাকিস্তানি ক্রিকেটে একটি বড় ভোলবদল নিশ্চিত করছে। তার ফিরার পরিণতি দেখে বুঝা যায় যে স্বতন্ত্রভাবে ক্রিকেটাররা তাদের পেশার কর্মক্ষেত্রে ফিরে আসতে পারেন এবং সবুজ জার্সিতে পাকিস্তানি অঙ্গীকারে নতুন জীবন নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারেন। আমিরের ফিরাও দেখাচ্ছে যে সঠিক পরিকল্পনার অধিকারী ক্রিকেটাররা নিজেদের পেশার ক্যারিয়ারে পরিকল্পনা এবং নিজেদের উচ্চতর লক্ষ্যের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ প্রেরণামূলক ঘটনা পাকিস্তানি ক্রিকেটে নতুন দিগন্ত নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে এবং দেশের ক্রিকেট প্রকৌশলের উন্নতি সমর্থন করতে পারে।

Leave a Comment